প্রমাণ আছে, দেখালে আপনারাই লজ্জা পাবেনঃ জাহানারা প্রসঙ্গে বিসিবি পরিচালক

প্রমাণ আছে, দেখালে আপনারাই লজ্জা পাবেনঃ জাহানারা প্রসঙ্গে বিসিবি পরিচালক

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য জাহানারা আলম। ক্রিকেটের ক্ষুদে ফরম্যাট টি-টোয়েন্টিতে বেশ কার্যকর তিনি। পেস বোলিংয়ের সঙ্গে লেট অর্ডারে ব্যাটিংটাও করতে পারেন।

কমনওয়েলথ গেমস বাছাই পর্বের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলে নেই দেশের ক্রিকেটের অন্যতম বড় তারকা জাহানারা আলম। বিষয়টি প্রকাশ হতেই দেশজুড়ে বেশ শোরগোল পড়ে যায়। বিসিবি কখনোই পরিষ্কার করে বলেনি, ঠিক কী কারণে জাহানারাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলভঙ্গের একটা অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ছিল। তিনি নাকি কোচ ও নির্বাচকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ এনে বিসিবিকে চিঠি দিয়েছিলেন। আসলে কী ঘটেছে, তা জানার জন্য প্রশ্ন করেও পরিষ্কার জবাব পাওয়া যায়নি।

আজ মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিসিবি পরিচালক ও নারী বিভাগের চেয়ারম্যান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। জাহানারার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দেখুন, আমি খেলোয়াড়দের অভিভাবক। যত দিন আমি উইমেন উইংসে কাজ করব তত দিন আমার টিমের প্রত্যেকের অভিভাবক আমি। সবার ভালোটার দায়ও আমার খারাপটার দায়ও আমার। এই দায় নিয়েই বলছি, আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। অনেক বিষয় থাকে যা সামনে আনলে আমাদের পুরো ক্রিকেটের, প্রমীলা ক্রিকেটের ক্ষতি হয়, এমন কোনো বিষয় আমি এড়িয়ে যেতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেখুন, এখানে তো পক্ষে-বিপক্ষে যাওয়ার কিছু নেই। আমরা খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় যেতে চাই। বোর্ড, ম্যানেজমেন্ট, সংগঠক আমাদের মাঝে তারা (ক্রিকেটার) সন্তানের মতো। তারা আমাদের ছোট বোনের মতো, ছোট ভাইয়ের মতো।

চলার পথে তাদের কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে। সেটা আমরা সংশোধনের জন্য সহনশীল ও অভিভাবকসুলভ মনোভাব যেটা দেখানোর সেটাই দেখাব। যারা বাদ পড়েছে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা কিন্তু নির্ধারিত কিছু বলিনি। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের দেশের প্রত্যেকটা মানুষ আমাদের ক্রিকেটের ভালো চায়।’

জাহানারার শৃঙ্খলাভঙ্গের বিস্তারিত জানতে চাইলে নাদেল বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতার পর এই একটা জিনিস যেটা নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি, আমরা অহংকার করতে পারি। এই জায়গায় একটা টুর্নামেন্ট চলছে, সেটা ছোট হোক কিংবা বড়, সে জায়গায় আপনারা সংবাদমাধ্যম ম্যানেজমেন্টকে যেসব প্রশ্ন করে যাচ্ছেন বা কাহিনি শুনতে চাচ্ছেন তা আমি মনে করি আমাদের ক্রিকেটের জন্য চরম ক্ষতিকর। যেহেতু এটা স্পর্শকাতর ইস্যু, সেহেতু প্রত্যেকেরই নিজের জায়গায় পেশাদারত্ব বজায় রাখা, দেশের স্বার্থে, ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে এসব বিবেচনায় নেওয়া উচিত।’

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.