স্ত্রী আপনার পুরু*ষাঙ্গ ধরে নিজের যো*নিতে ঢোকাবে, শুধু মিল*নের আগে এইগুলো করুন

স্ত্রী আপনার পুরু*ষাঙ্গ ধরে নিজের যো*নিতে ঢোকাবে, শুধু মিল*নের আগে এইগুলো করুন

মেয়েদের দেহে শুধুমাত্র যোনি, স্তন আর নিতম্বই তাদের একমাত্র যৌ’নস্পর্শকাতর অঙ্গ নয়। ওদের বলতে গেলে প্রায় পুরো দেহটিই স্পর্শকাতর। তার মাঝেও কিছু কিছু স্থান রয়েছে যেগুলোতে আদর পেলে তারা চূড়ান্ত উত্তেজনার দিকে তড়িত্‍গতিতে অগ্রসর হয়। তবে ছেলেদের দেহেরও শুধুমাত্র লিঙ্গই একমাত্র যৌ’ন অঙ্গ নয়। মোটকথা আমাদের সঙ্গী-সঙ্গিনীকে পরিপূর্ন যৌ’নসুখ দিতে হলে তাদের যৌ’নস্পর্শকাতর অঙ্গগুলো সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারনা থাকা দরকার

 

 

 

অনেকে বলতে পারেন কি দরকার? নিজে মজা পেলেই হল। এ প্রয়াস ভালোবাসার অনুভুতিবিহীন যৌ’ন লালসাময় সেক্সের জন্য নয়। যে তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ভালবাসে সে অবশ্যই চাবে তাকে আনন্দ দিতে এবং এতে সে নিজেও আনন্দ লাভ করে। মূলত ছেলে ও মেয়ের যৌ’নকাতর অঙ্গগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই মিল রয়েছে এবং তাদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ছেলে বা মেয়ে ভেদে প্রায় একই হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন।

 

 

 

মেয়েদের দেহের বেশ কয়েকটি যৌ’নস্পর্শকাতর অংশ আছে যেগুলো সরাসরি তাদের যৌ’নত্তেজনার সূচনা ঘটায়। সাধারন অবস্থা থেকে এ অংশগুলোর মাধ্যমেই একটি ছেলে তার মাঝে যৌ’নাভুতি জাগিয়ে তুলতে পারে। আর কিছু অংশ আছে যেগুলো মেয়েটির যৌ’নত্তেজনার সূচনা ঘটার পরই উত্তেজিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠে, অথচ সাধারন অবস্থায় এগুলো উত্তেজিত করার চেষ্টা করলে মেয়েটি এমনকি ব্যাথা বা অসস্তিও বোধ করতে পারে। মেয়েদের সবচাইতে যৌ’নস্পর্শকাতর অংশটিও এই দ্বিতীয় শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত।

 

 

 

 

ঠোট ও জিহবাঃ ঠোট নারীদেহের সবচাইতে যৌ’নত্তেজক অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র নারীদেহ উত্তেজনার সূচনার সবচেয়ে জোরালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে। এতে একটি ছেলের ঠোটের স্পর্শ মেয়েটির সারা দেহে যেন বিদ্যুতের গতিতে কামনার আগুন ছড়িয়ে দেয়। তবে আরেকটি ঠোটের স্পর্শই যে শুধুমাত্র মেয়েটিকে উত্তেজিত করে তুলবে তা নয়। ছেলেরা অন্য ভাবেও মেয়েটির ঠোটের মাধ্যমে তার দেহের মাঝে ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে পারে।

 

 

 

আঙ্গুল দিয়ে মেয়েটির ঠোটে হাত বুলিয়ে দেয়া, ওখানে নিজের নাক ঘষা এভাবেও ছেলেটি ওকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। আর ঠোট দিয়েও একবার মেয়েটির উপরের ঠোট আরেকবার ওর উপরের ঠোট চুষে, ফাকে ফাকে ঠোট থেকে একটু সরে গিয়ে থুতনিতে চুমু খেয়ে ওকে tease এর অর্থ হিসেবে বলা যেতে পারে কাউকেযৌ’ন আনন্দ দেয়ার উপক্রম করেও না দিয়ে তাকে সে আনন্দ পাবার জন্য আরো পাগলকরে তোলা।)করা যেতে পারে।

 

 

 

আর মেয়েরা তাদের জিহবা দিয়ে শুধুই খাদ্যের স্বাদ গ্রহন করে না, সঙ্গীর আদরের স্বাদও এর মাধ্যমেই অনুভব করে। তাদের জিহবা একটি ছেলের মুখের ভেতরের উষ্ণতা খুজে নেয়। এর মাধ্যমে সে ছেলেটির জিহবা থেকে যে অনুভুতি গ্রহন করে তা তার সারাদেহকে ওর কাছে সপে দেওয়ার জন্য উদগ্রিব করে তোলে। চুমু খাওয়ার সময় ছেলেটি মেয়ের মুখের ভিতরে তার জিহবা ঢুকিয়ে দিয়ে নাড়াচাড়া করে তার মুখের ভিতরেও কাঁপন বইয়ে দিতে পারে।

 

 

 

গাল, কপাল, কানের লতিঃ মেয়েদের এ স্থানগুলো তাদের যৌ’ন উত্তেজনার অন্যতম সূচক হিসেবে কাজ করে। এসকল স্থানে ছেলেটির ঠোট ও জিহবার স্পর্শ মেয়েটির দেহের মাঝে তার ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দেয়; মেয়েটি বুঝতে পারে, ছেলেটি তাকে চায়, তার সবকিছুই চায়। মেয়েটির এ স্থানগুলো ছেলেটির দ্বারা অবহেলিত হলে সে পরিপূর্ন ভাবে যৌ’নসুখ অনুভব করতে পারে না। আমার মতে, সেক্স, সে যার সাথেই করা হোক না কেন, তার মধ্যে সামান্য হলেও ভালোবাসা-আদরের ছোয়া না থাকলে এর আনন্দ অসম্পূর্ন থেকে যায়।

 

 

 

গলাঃ মেয়েদের গলায় স্পর্শ ওদের উত্তেজনায় পথে এগিয়ে নিতে যথেস্ট ভুমিকা রাখে। ছেলেটি মেয়েটির ঠোটে চুমু খেতে খেতে এর ফাকে ফাকেই গলায় ঠোট নামিয়ে এনে ঠোট দিয়ে খেলা করলে ওর দারুন এক অনুভুতি হয়। প্রায় সব মেয়েরই গলার অংশটুকু বেশ সংবেদনশীল। মেয়েটির ঠোটে চুমু খেয়ে তার গলায় নেমে আসলে তার যে সুড়িসুড়ির মত অনুভুতি হয় তাতে ও একই সাথে সুখ ও এক ধরনের অসস্তি লাভ করে। ওর মন চায় ছেলেটি ওর গলায় আরো সোহাগ বুলিয়ে দিক আর ওর ঠোট চায় আবার সেখানে ছেলেটির ঠোটের স্বাদ। এভাবে tease করে ছেলেটি মেয়েটিকে উত্তেজনায় পাগলপ্রায় করে তুলতে পারে।

 

 

 

স্তনঃ প্রায় সব ছেলেরই মেয়েদের দেহের সবচাইতে প্রিয় স্থান তার দুটি স্তন। মেয়েদের দেহের সবচাইতে যৌ’নকাতর অঙ্গগুলির মাঝে যে এটি যে এক বিশেষ ভুমিকা পালন করে থাকে তা বলাই বাহুল্য। ছেলেদের ওদের প্রতি আকৃষ্ট করায় এর জুড়ি নেই। মেয়েভেদে স্তনের আকার যে ছোট বড় হয় সে হিসেবে তাদের স্পর্শকাতরতারও কিছুটা রকমফের হয়।

 

 

 

 

মেয়েদের স্তনের বেশিরভাগটাই চর্বি দিয়ে তৈরী। দেহের চর্বিবহুল অংশগুলোতে এমনিতেই স্পর্শকাতরতা কম হয়। সে কারনেই যে মেয়েদের স্তন বেশি বড় থাকে স্বভাবতই তাদের স্তনের সংবেদনশীলতা তুলনামূলক ছোট স্তনের মেয়েদের থেকে সামান্য হলেও কম থাকে। এজন্যই বেশিরভাগ বড় স্তনের মেয়েরা বেশ জোরে জোরে ছেলেদের হাতে চাপ খেতে পছন্দ করে;

 

 

 

তাদের উত্তেজিত করে তুলতে ছেলেদের একটু রুক্ষ ভাবে তত্‍পর হতে হয়। অবশ্য ছেলেদেরও এক্ষেত্রে কোন আপত্তি আছে বলে মনে হয়না। তাদের স্তনে জোরে জোরে হাত দিয়ে টিপা ছাড়াও ওগুলো চুষার সময় হাল্কা হাল্কা কামড় দিলে তারা দ্রুত উত্তেজিত হয় তবে কামড়টা হতে হবে বোটার আশেপাশে কিন্ত সরাসরি বোটায় নয়।

 

 

 

অন্যদিকে মাঝারি ও ছোট স্তনের মেয়েদের স্তনের সংবেদনশীলতা তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে। তাই তাদের স্তন টিপার সময় শুরুতে একটু ধীরে ধীরেই করতে হবে। আর কামড় দেয়ার ব্যাপারেও সাবধান থাকতে হবে কারন বেশি সংবেদনশীলতার জন্য তারা এক্ষেত্রে বেশ ব্যথাও পেতে পারে।

 

 

 

তবে ছোট বড় যে স্তনই হোক না কেন, সেগুলো টিপা বা চুষার সময় ছেলেদের সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন দুটি স্তনেই যেন তাদের হাতের ছোয়া থাকে। একটি চুষার সময় অন্যটি হাত দিয়ে টিপতে থাকতে হবে। আর মেয়েদের স্তনে আনন্দ দেয়ার আরো একটি পদ্ধতি হলো ছোট হলে পুরোটাই আর বড় হলে যতটুকু সম্ভব স্তনটি মুখের ভিতরে ভরে নিতে হবে।

 

 

 

তারপর জিহবা দিয়ে বোটার উপরে বুলাতে থাকতে হবে। এতে মেয়েরা দারুন মজা পায়। আর মেয়েদের স্তনের মধ্যেও সবচেয়ে স্পর্শকাতর হল তাদের বোটা। তবে বোটায় আদর করার ব্যাপারে ছেলেদের একটু সাবধান হতে হবে। এ প্রসঙ্গে আগের পোস্টে বলেছি। বোটায় আদর করার জন্য প্রথমে মেয়েটির স্তনের অন্যান্য অংশ টিপে তাকে উত্তেজিত করে নিতে হবে। তারপর এভাবে শুরু করা যেতে পারে;

 

 

 

ওর স্তনের বোটার উপর হাতের তালু রেখে পিঠা বানানোর জন্য বেলার মত করে হাত বুলাতে থাকতে হবে। এর আগে ওর স্তনে একটু চুষে নিলে আপনার মুখের লালা সেখানে লেগে থাকলে এভাবে তালু দিয়ে বোটাটি ম্যাসাজ করা অত্যন্ত উপভোগ্য হয়ে উঠবে। তারপর মুখ নামিয়ে দুটি ঠোট দিয়ে শুধু ওর বোটাটি চেপে ধরেও চুষা যায়। ও উত্তেজিত হয়ে উঠলে মুখের আরো ভিতরে নিয়ে বোটায় হাল্কা করে দাঁত বুলিয়ে দিলে ওর উত্তেজনা চরমে পৌছাবে।

 

 

 

বগলের নিচঃ এটা হয়তবা আপনাদের কাছে নতুন লাগছে। কিন্ত বাস্তবিকই, মেয়েদের বগলের নিচে যে তাদের যৌ’নস্পর্শকাতর একটি স্থান রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। মেয়েদের কিছু স্পর্শকাতর অঙ্গ রয়েছে যেগুলোতে আদর করে, মেয়েটি যৌ’নত্তেজিত অবস্থায় না থাকলে, তাকে যৌ’নসুখ দেয়া যায় না বরং তার ব্যাথা বা অসস্তি হয়। ওদের বগলের নিচ তেমনই এক স্থান। উত্তেজিত অবস্থা মেয়েটির বগলের নিচে চুমু খাওয়া, জিহবা দিয়ে চেটে দেয়া ওর জন্য বেশ যৌ’নান্দদায়ক।

 

 

 

 নাভীঃ মেয়েদের নাভী ও এর আশেপাশের স্থানগুলো মোটামুটি সংবেদী। ওখানে চুমু খাওয়া, আঙ্গুল দিয়ে চাপ দেয়া, জিহবা বুলিয়ে দেওয়া, চোষা ইত্যাদি করা ওকে tease করার এক অনন্য উপায়।

 

 

 

 

নিতম্বঃ মেয়েদের দেহের সবচেয়ে চর্বিবত্‍সল অংশ; দেহের যেকোন স্থানের চেয়ে এর সংবেদনশীলতা তুলনামূলক কম তাই বলে মেয়েদের সেক্স উত্তেজনায় এর ভুমিকাকে কোনভাবেই খাটো করে দেখা যাবে না। ছেলেদের আকৃষ্ট করায় এর অবদান অনস্বীকার্য। তাই ছেলেরাও চায় একে নিজ হাতে আকড়ে ধরে তার চোখ তার মনে যে তৃষ্ঞা সৃষ্টি করেছিল তা মিটিয়ে নিতে।

 

 

 

আর মেয়েরাও তো তাই চায়। ছেলেরা যতই পাগলের মত তার এ ‘গোপন হয়েও উন্মুক্ত’ অঙ্গটি ধরে ধরে আদর করে তারা ততই উত্তেজিত হয়ে উঠে। উম্মাদ-মাতাল সেক্সের বেলায় মেয়েদের নিতম্বে হাত দিয়ে জোরে জোরে চাপর দিয়ে তাদের বেশ উত্তেজিত করে তোলা যায়। তবে রোমান্টিক সেক্সের সময়

 

 

 

 

হাটুঃ মেয়েদের হাটু একটি মোটামুটি স্পর্শকাতর অঙ্গ। সরাসরি সেক্সের সময় এর ভুমিকা তেমন একটা নেই তবে সেক্সের সূচনায় এটি বেশ কিছুটা অবদান রাখে। কোন প্রেমিকযুগল একসাথে বসে পড়াশোনা, খাওয়া এসব করার সময়, ছেলে

 

 

 

 

এই ধরনের আদরকে বলা হয় Footsie. এ আদর মেয়েটিও ছেলের পায়ে করতে পারে, ছেলেদের হাটু এক্ষেত্রে মেয়েদের মত অতটা সংবেদী না হলেও মেয়েটির নরম পায়ের স্পর্শ ওর কাছে দারুন লাগে (এটা আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলা!)।সেক্সের মুড তৈরী করতে এর জুড়ি মেলা ভার।

 

 

 

 

উরু ও পায়ের পাতাঃ মেয়েদের আরো একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অংশ হল তাদের উরুদ্বয়। বিশেষ করে হাটুর উপরিভাগ থেকে এর স্পর্শকাতরতা বাড়তে বাড়তে উরুসন্ধি, তথা তাদের যোনির আশেপাশে গিয়ে চূড়ান্ত অবস্থায় পৌছে। এটিও সেসব অংশের অন্তর্ভুক্ত যেগুলো দ্বারা সরাসরি মেয়েটির উত্তেজনার সূচনা ঘটিয়ে তাকে যৌ’ন আনন্দ দেয়া যায়। যোনির কাছাকাছি বলে এর মাধ্যমে মূলত মেয়েটিকে যোনিতে স্পর্শ পাবার জন্য উন্মুখ করে তোলা যায়।

 

 

 

মেয়েটি যদি স্কার্ট বা নিচ উন্মুক্ত, এমন কোন কাপড় পড়ে থাকে তবে, তাকে চুমু খেতে খেতে যৌ’নমিলনের শুরুর দিকে তার হাটু থেকে হাত উঠানামা করে উরুসন্ধির কাছে এনে আবার নামিয়ে ম্যাসাজ করলে সে বেশ দ্রুত উত্তেজিত হয়ে উঠে। আর কিছু মেয়ের ক্ষেত্রে শোনা যায় যে তাদের পায়ের পাতা এতটাই স্পর্শকাতর থাকে যে শুধুমাত্র সেখানে আদর পেয়েই অনেকসময় তারা চরম সুখের কাছাকাছি চলে যায়। তবে কমবেশি সব মেয়েরই পায়ের পাতা বেশ যৌ’নকাতর থাকে।

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published.