Home / জাতীয় সংবাদ / আসুন জেনে নিই কিভাবে সহবাস করলে স্ত্রী আনন্দ পায়

আসুন জেনে নিই কিভাবে সহবাস করলে স্ত্রী আনন্দ পায়

এখানে স্ত্রীর চাহিদা বলতে আপনি কী বুঝিয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়৷ তবে ধরে নিচ্ছি যে, আপনি তাঁর জৈব অর্থাৎ শারীরিক চাহিদার কথাই ইঙ্গিতে বলতে চেয়েছেন৷

যৌন জীবন হচ্ছে যৌথজীবন ৷ যৌন জীবন আনন্দের হলে যেমন যৌথ জীবন সুখশান্তির হবে, তেমনি যৌথ জীবন সুখের হলে যৌনজীবনও তৃপ্তিদায়ক হবে! একে অপরের পরিপূরক । একটি না হলে অন্যটি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে৷

তাই নিজে রোম্যান্টিক হয়ে উঠুন এবং সঙ্গিনীর মধ্যেও রোম্যান্টিকতা সঞ্চারিত করুন! প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে সময়ে-অসময়ে স্থানে-অস্থানে স্ত্রীকে অপ্রত্যাশিত যৌন ইঙ্গিত বা ইশারা করুন, উসকানি বা সুড়সুড়ি দিয়ে অপ্রস্তুত করে দিন, অথবা শুধুই আলিঙ্গন করুন, কিংবা চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিন; এমনকি মাঝে মাঝে অন্যান্য কাজকর্ম ফেলে রেখে অনির্ধারিত (unscheduled) যৌনসঙ্গমে মেতে উঠুন৷ আর শুভ কাজটি সুসম্পন্ন হবার সঙ্গে সঙ্গে উঠে না গিয়ে স্ত্রীসংসর্গ সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করুন, এবং স্ত্রীকেও সেই সুযোগ নিতে দিন৷

স্ত্রীকে যৌন জীবনে চরম পুলকের সুখভোগ করান, আর যৌথ জীবন পরিপূর্ণভাবে উপভোগ করুন৷ কেন না তখন দেখবেন, সংসার জীবনের অনেক বড় বড় অযৌন চাহিদাও ছোট হয়ে গেছে অথবা একেবারে কমে গেছে, কিংবা স্ত্রীর তীব্র যৌন আকাঙ্খা বা উন্মাদনার আড়ালে হয়ত বা চাপাই পড়ে গেছে!

যৌনতাকে ট্যাবু মনে করে মনের কোণে লুকিয়ে রাখবেন না৷ আমাদের প্রাতঃকৃত্য কিংবা প্রাতঃরাশের মত এটিও একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নিত্যকর্ম, যা শরীর-মনকে চাপমুক্ত তথা ভারমুক্ত করে প্রভূত শান্তি ও আনন্দ দেয়৷ তাই স্ত্রীর সঙ্গে একে অপরের যৌন ইচ্ছা-অনিচ্ছা, পছন্দ-অপছন্দ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করুন ৷ নিজেদের অমিলের বিষয়গুলোকে যতটা সম্ভব বাদ দিয়ে মিলের জায়গাগুলোর ওপর মনোযোগ দিন৷

পূর্বনির্ধারিত যৌনতার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে বিছানায় উঠুন৷ পূর্বরাগের কামক্রীড়া বা শৃঙ্গার, অর্থাৎ সীমাহীন আদর-সোহাগ, চুম্বন, লেহন, চর্বণ, দংশন, মর্দন, পীড়ন প্রয়োগ করুন সারা শরীরে, বিশেষ করে ঠোঁট, গলা, কানের লতি, পিঠ, নাভি, স্তন, স্তনবৃন্ত, তলপেট, উরুসন্ধি, প্রভৃতি অঙ্গে, এমন কি পায়ের পাতাতেও!

ধীরে ধীরে যত্ন করে কিন্তু প্রাণভরে চুম্বন, লেহন ও মর্দন করুন আপনার প্রেয়সীর গোপন অঙ্গটি এবং গোপন কুঁড়িটি৷ আদরে আদরে কুঁড়িটিকে ফুটিয়ে তুলুন ঠোঁট, জিভ আর দাঁতের যথাযথ ও শৈল্পিক ব্যবহার করে৷ এবার দু’জনের চেহারা আর যৌনাঙ্গের আকার-আকৃতির সঙ্গে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং পারস্পরিক তৃপ্তিদায়ক আসনগুলো কিছুদিনের মধ্যে নির্বাচন করে ফেলুন তাঁর রসসিক্ত যৌনাঙ্গে অবিরাম মহড়ার মধ্য দিয়ে৷

এক একটি ভিন্ন প্রকৃতির আসনে এক এক দিন মিলিত হন কিছুক্ষণ করে; তারপর আসন বদলান এবং আসনের সঙ্গে সঙ্গে বদলান বিছানা, মিলনের স্থান বা ঘর, ঘরের পরিবেশ, মিলনের সময় ও সময়কাল, প্রভৃতি I নিজের মনে, আর সঙ্গমস্থলে নানানভাবে রোম্যান্টিকতা ও নাটকীয়তা আমদানি করুন মাঝে মধ্যেই ৷

দু’জনেরই পছন্দ হলে অশ্লীল কথা বা রসালাপ করে মিলনের চূড়ান্ত পর্বে রোমাঞ্চ এবং উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলুন ৷ রতিক্রিয়ায় অনিয়ন্ত্রিত বৈচিত্র্যই পারে নিয়মিত যৌনতার একঘেয়েমি থেকে মুক্তির উল্লাস কিংবা যৌনতার উচ্ছ্বাস এনে দিতে! সব সময় স্ত্রীকে তৃপ্ত করে নিজে তৃপ্তি পাওয়ার কথা ভাবুন৷ আর তাতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন আপনিই!

যৌনসঙ্গিনীর ঋতুর দিনগুলোতে শুধুমাত্র তাঁর স্তনক্রীড়ার (চুম্বন, লেহন, দংশন, চর্বণ, মর্দন, ইত্যাদি) মাধ্যমেই তাঁর রাগমোচন সম্ভব, বিশেষ করে স্তন-সংবেদী নারীর (Breast woman) বেলায়৷ এবং উভয়ের পূর্ণ যৌনতৃপ্তির জন্য স্তনমৈথুন কিংবা মুখমৈথুনের মত অত্যন্ত আকর্ষণীয় বিকল্পগুলো তো রয়েইছে৷

দ্রুত যৌনজাগরণের প্রয়োজনে মুখরতি আজকাল ৮০-৯০% মানুষই উপভোগ করে থাকেন৷ একজন রতিনিপুণা নারী খুব অল্প সময়ে শুধুমাত্র শৈল্পিক মুখরতির মাধ্যমেই প্রেমিক প্রবরের বীর্যপাত ঘটিয়ে দিতে পারেন! আর যৌনসচেতন আধুনিকারা ঘরে বাইরে চটজলদি আনন্দলাভের জন্য মুখমৈথুন কেই পছন্দ করেন৷ (তবে ফাটা ঠোঁটে, মুখে বা গলায় ঘা নিয়ে, কিংবা ব্রাশ করার পর দু’ঘন্টা পর্যন্ত মুখমৈথুন বা মুখরতি একেবারেই নিরাপদ নয়!)

সবশেষে আসা যাক, নিবিড় যৌন আনন্দের উৎস সন্ধানে। যোনির সামনের দিকে মাত্র ইঞ্চি দু’য়েক গভীরতা পর্যন্তই যৌন উত্তেজনা ও তৃপ্তিদায়ী স্নায়ুগুলোর বিস্তার৷ অর্থাৎ এইটুকুই হল মেয়েদের যাবতীয় মিলন-আনন্দ অনুভূতির কেন্দ্র; এবং এখানে ভেতরের দেওয়াল চার দিকেই খাঁজে খাঁজে পরিপূর্ণ ৷ তাই যথাযথ কামকেলি বা রতিক্রীড়া করা হলে একটি আট-নয় বছর বয়সী শিশুর দুই ইঞ্চি মত লম্বা ও সরু কিন্তু উচ্ছ্রিত শক্ত ধনও ঐ খাঁজকাটা কোমল স্ত্রী-ধনে সম্পূর্ণ যৌন-আনন্দ সঞ্চার ও তৃপ্তি বিধান করে যৌনসহচরীকে সুখের সাগরে ভাসিয়ে দিতে সক্ষম৷ অতএব, যৌনাঙ্গের আকার-আকৃতি নিয়ে সব টেনশন ঝেড়ে ফেলে আসরে নামুন টগবগে হয়ে!

আর যদি ইড়া-পিঙ্গলা নাড়ির ব্যায়াম নিয়মমাফিক অনুশীলন করতে পারেন, তাহলে আপনাকে ঠেকায় কে? বীর্যপাত ইচ্ছামত নিয়ন্ত্রণ করে আপনিই হবেন আপনার সুন্দরী শয্যাসঙ্গিনীর স্বপ্নের শয্যাসম্রাট! বিলম্বিত কিংবা বিনা বীর্যপাতের স্বপ্নমধুর রমণে তৃপ্ত রমণীর রমণীয় শীৎকারের ঠেলায় পাড়াপড়শিরা সবাই একযোগে দরজা-জানলা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে, এবং সেই সঙ্গে নিজেরাও প্রলুব্ধ হবে সময়-সুযোগমত ঝাঁপিয়ে পড়তে নতুন ভাবে, নতুন সাজে, নতুন আনন্দে!

সফল, সন্তোষজনক ও তৃপ্তিদায়ক যৌনক্রীড়ার মহিমা অপার! একটু চেষ্টা করেই দেখুন না, ঠকবেন না৷ এই কারণেই তো ঠাকুমা-দিদিমারা নাতনিদের যুগ যুগ ধরে বলে থাকেন যে, পুরুষ মানুষের ধনই সম্বল, ধনই সব কিছু!

About admin

Check Also

বা’স’র রা’তে ও এতো নোং’রা’মী ক’র’বে বি’শ্বা’স করতে পা’রি নি!

বা’সর রা’ত। সবার জীবনে এই রা’তটি নাকি অনেক স্ব’প্নের, অনেক আ’শার। ওসব ভাবনার নি’কুচি করে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *